agrobangla

পরিবেশগত দিক থেকে চিন্তা করলে বাংলাদেশ সাপ ফার্মিংয়ের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। এ দেশের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, শীতকাল ও গ্রীষ্মকাল বিবেচনা করলে এ দেশও পশ্চিমা বিশ্বের মতো যেমন- ভারত, চীন, জাপান, কোরিয়া, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকাসহ ইউরোপের মতো স্নেকস ফার্মিংয়ের ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে যেতে পারে। আমরা বাংলাদেশিরা ইদানীং সাপ ফার্মিংয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি। এর জন্য দরকার হবে না খুব বেশি ইনভেস্টমেন্ট বা অর্থ। দরকার সরকারের উদ্যোগ ও প্রাইভেট কিংবা এনজিও সেক্টরের হাতে এ প্রকল্পটি তুলে দেয়া। এরই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে ময়মনসিংহের ভালুকায় গড়ে উঠেছে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কুমির চাষ প্রকল্প রেফটাইলস ফার্ম। উপার্জন হচ্ছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। ইতিমধ্যে এ ফার্মটি প্রচুর কুমির রফতানি করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে। যদিও স্নেকস ফার্মিং বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন প্রকল্প। তবে পাশ্চাত্য দেশগুলোতে এর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। পাশ্চাত্য দেশগুলো বৃহৎ ও ক্ষুদ্র ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে এ সেক্টরে ব্যাপক সফলতা পেয়েছে এবং উপার্জন করছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত স্নেকস ফার্র্মিয়ের জন্য জলন্ত উদাহরণ। ভারতের মতো আমরাও সাপ চাষাবাদ ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে এ প্রকল্প থেকে বছরে ১৫০ কোটি টাকার মতো বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করতে পারি। তবে বর্তমানে সাপের বাণিজ্যিক চাষ ও সাপের বিষ রফতানির ব্যাপক সম্ভাবনার দ্বারকে কাজে লাগাতে পারছে না সরকার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইউপিবি) রফতানির তালিকায় এ পণ্যটির নাম না থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে বছরের পর বছর দেশি-বিদেশি চোরাকারবারির মাধ্যমে পাচার হচ্ছে কয়েক কোটি টাকার সাপের মূল্যবান বিষ। ভারতীয় উপমহাদেশ তথা ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশে সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে।

বর্তমানে ওয়াইল্ড লাইফ বিশেষজ্ঞদের মতে, বাণিজ্যিকভাবে স্নেকস ফার্মিংয়ের জন্য একটি অভয়ারণ্য, সাপ সংগ্রহশালা ও লালন-পালন কেন্দ্র গড়ে তোলা যায় তাহলে প্রতি বছর সাপের বিষ অর্থাৎ অ্যান্টিভেনাম রফতানি করে বছরে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। তবে সাপুড়িয়া সম্প্রদায় তথা বেদে সম্প্রদায়কে সাপ ধরার কৌশল ও যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং সর্পবিশেষজ্ঞ তৈরি করতে হবে। প্রায় দুই বছর আগে ইউপিবি বিদেশে সাপের বিষ রফতানি ও এর বাণিজ্যিক প্রসার ঘটানোর জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে; কিন্তু নানামুখী আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্য এটি বেশি দূর প্রসার লাভ করতে পারেনি। ইউপিবির তথ্যমতে, আমাদের দেশে সাপের বিষ রফতানির সুযোগ না থাকায় চোরাইপথে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ ইউরোপের বাজারে সাপের বিষ পাচার হচ্ছে। যদিও এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকরও বটে। তবে সাবধানতার সঙ্গে সাপের বিষ সংগ্রহ ও এর বাণিজ্যিক প্রসার ঘটাতে পারলে এটি আমাদের দেশের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে। তবে সাধারণ মানুষ স্নেকস ফার্মিংয়ের কথা চিন্তাও করতে পারে না। কারণ এর জন্য দরকার যথাযথ প্রশিক্ষণ। অত্যন্ত কম খরচে ব্যক্তি উদ্যোগে স্নেকস ফার্মিং করা সম্ভব। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষাবাদ করতে পারলে আমরাও ইউরোপ, আমেরিকা, কোরিয়া ও থাইল্যান্ডে এটি রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। সাপ যেমন একদিকে উপাদেয় খাদ্য হিসেবে চীন, জাপান, কোরিয়া ও থাইল্যান্ডের বড় বড় চাইনিজ রেস্তোরাঁতে চাহিদা সৃষ্টি করেছে, তেমনি এর বিষ থেকে অ্যান্টিভেনাম তৈরি করে উন্নত দেশে রফতানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। জীববিজ্ঞানীদের মতে, কোবরা সাপের বিষ ফার্মাসিউটিক্যাল ও গবেষণাগারে একটি মূল্যবান উপাদান। সাপেকাটা রোগীর চিকিৎসায় সাপের বিষ থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিভেনাম ব্যবহার হয়। তাই এর ব্যাপক চাহিদা ও বৃহৎ বাজার রয়েছে উন্নত সর্পভিত্তিক দেশগুলোতে। ২০০৮ সালের জুনে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো এটিকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের প্রসারতায় কোরিয়া, জাপান, চীন, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ শুরু করে। তাই এই লক্ষ্যে সর্পভিত্তিক দেশগুলো থেকে অর্থাৎ যেসব দেশে সাপের চাষাবাদ ও সংরক্ষণ করা হয়। তাদের তথ্য-উপাত্ত ও আধুনিক চাষ পদ্ধতি সংগ্রহ করে এবং যেসব দেশে সাপ একটি সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে এর চাহিদা রয়েছে, সেসব দেশের সাপ লালন-পালনকারী মালিকদের আমাদের দেশে এনে বেসরকারি খাতে যৌথ উদ্যোগে সাপের খামার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা; কিন্তু নানামুখী জটিলতা ও দক্ষ সায়েন্টিস্টদের অভাবে এই প্রকল্পটি থেমে যায়। আমাদের দেশে দিনের পর দিন শিল্প-কলকারখানা গড়ে উঠেছে এ জন্য প্রয়োজন হয়েছে প্রচুর অর্থলগ্নি। আর লাভ পেতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। আর এই শিল্প-কলকারখানা গড়ে ওঠার কারণে একদিকে পরিবেশ দূষণ ঘটছে, তেমনি পরিবেশ হারাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। সে ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত সাপের ফার্ম গড়ে তুলতে পারলে অবশ্যই অন্যভাবে আমরা লাভবান হতে পারি। সাপের ফার্ম তুলনামূলক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। তবে বেশ জনপ্রিয় ও লাভজনক। বিদেশে এটি লাভজনক ও জনপ্রিয় ফার্মিং ব্যবস্থা। ভারতের ব্যাঙ্গালোরে সাপের ফার্ম আছে। সেখানে কৃত্রিমভাবে কোবরা সাপের উৎপাদন বাড়ানো হয়। সাপের বিষ থেকে অ্যান্টিভেনাম রফতানি করে ভারত কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে রেফটাইলস ফার্ম গড়ে উঠলেও সাপের কোনো ফার্ম গড়ে ওঠেনি। কেবল আমাদের দেশে সাপুড়িয়া বেদে সম্প্রদায় তাদের ব্যবসার জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে সাপ সংরক্ষণ করে। তবে সাপ ফার্মিংয়ের যথেষ্ট সম্ভাবনা আমাদের দেশে রয়েছে। দরকার দক্ষ বায়োলজিস্ট ও সর্পবিশারদ। বর্তমানে আমাদের দেশে ৬৭ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি বিষাক্ত। সাপ চাষে তেমন কোনো খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। এরা খুবই কম আহারী। এরা খাবার ছাড়া প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। ব্যাঙ, ইঁদুর, টিকটিকি, গিরগিটি, মাছ ও পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে যা প্রকৃতিতে সহজে প্রাপ্য। একটি সাপ ১০ থেকে ৪০টি ডিম দেয়। এটি বিবেচনায় আনলে সাপ ফার্মিং থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এ জন্য বড় জায়গার দরকার হয় না। যেহেতু এরা শীতকালে শীতনিদ্রা যায়, কাজেই সাপের জন্য সে রকম জায়গা নির্বাচন করতে হবে। আমাদের দেশে সাপ চাষাবাদের জন্য মূলবান প্রজাতি হলো কিং কোবরা, কোবরা, কমন ক্রেইট, বানডেড ক্রেইট, রাসেলস ভাইপার। এ সাপগুলোর গ্রোথ বেশি এবং রোগাক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম। আমাদের দেশের পরিবেশ এরা সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। যখন এরা বাচ্চা দেয় তখন থেকেই নিয়মিত খাবার সরবরাহ করতে হবে। তবে বাকি সময় সপ্তাহে দুবার খাবার দিলে হয়। কিং কোবরা ইঁদুর এবং কোবরা ইঁদুর, ব্যাঙ ও পাখির ডিম খায়। তাই সাপের খাবার তাদের পছন্দমতো হতে হবে। সাপের কোনো কোনো প্রজাতি ডিম দেয়, আবার কোনোটা বাচ্চা দেয়। কাজেই ধরন বুঝে এদের প্রতি যত্নবান হতে হবে। কোবরা জানুয়ারিতে মেট করে এবং বাচ্চা দেয় এপ্রিল-মে মাসে। তাদের ইনকিউবেশন প্রিয়ড ৬০ থেকে ৭০ দিন। সাপের ফার্মিংয়ের জন্য দক্ষ জনবল দরকার। যে প্রজাতি ফার্মিংয়ের জন্য নির্বাচন করা হবে সে সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। স্ত্রী-পুরুষ সহজেই নির্বাচন করতে হবে। সাপের ফার্মে প্রবেশে সর্তকতা অবলম্ব করতে হবে এবং সব সময় প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনাম রাখতে হবে। হাতে গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। সাবধানে সাপ থেকে একটি প্লাস্টিকের কৌটায় ভেনাম সংগ্রহ করতে হবে। সাপের চামড়া খুব সতর্কভাবে ছাড়াতে হবে। তবে সাপ ফার্মিংয়ে সফলতা আসবে। ওয়াইল্ড লাইফ স্পেশালিস্ট ও রসায়নবিদদের মতে, কোবরা সাপের বিষে বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান পটাসিয়াম সায়ানাইডের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। বিদেশে পটাসিয়াম সায়ানাইডের উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোবরার বিষ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের ওষুধ ফ্যাক্টরিতে এর ব্যবহারের তেমন প্রসারতা পায়নি। বিদেশে, বিশেষ করে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি, অস্ট্রিয়া অর্থাৎ যেসব দেশ রাসায়নিক মৌল বা যৌগ উপাদান তৈরি করে তাদের কাছে এর বিষ মহামূল্যবান। তবে কোবরা সাপের তেমন কোনো ফার্ম আমাদের দেশে গড়ে ওঠেনি। এ ছাড়া কোবরার বিষ বায়োকেমিক্যাল অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হয়। পাশ্চাত্য দেশের ওষুধ কোম্পানিতে সাপের বিষ একটি উন্নত কাঁচামাল। তাই বাণিজ্যিকভাবে সাপের চাষাবাদ ও এর বিষ সংগ্রহ করে তা বিদেশে ওষুধ কোম্পানির কাছে রফতানির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। তবে ভারতের মতো এ দেশেও বাণিজ্যিকভাবে সাপ উৎপাদন এবং এর বিষ সংগ্রহ হতে পারে এ দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর গ্রাম-বাংলার মানুষের জীবিকার আরো একটি অন্যতম অবলম্বন। এর বাণিজ্যিক উৎপাদন দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
লেখক: অলোক কুমার মিস্ত্রী
তথ্যসূত্র: দৈনিক ডেসটিনি

ঢাকার সাভারের পোড়াবাড়ীতে প্রতিদিন ছোট-বড় নানা জাতের সাপ বেচাকেনার হাট বসে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অধিকাংশই বেদে সম্প্রদায়ের। ময়মনসিংহ, শেরপুর ও মধুপুরের পাহাড়ি এলাকার গারো এবং উত্তরাঞ্চলের সাঁওতালরাও বাড়তি রোজগারের জন্য এ হাটে সাপ বিক্রি করতে আসেন। মাঝেমধ্যে বিদেশিরাও আসেন সাপ কিনতে।

হাট ঘুরে জানা যায়- ১৫ থেকে ২০ জন বেদে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০টি বিভিন্ন জাতের সাপ বিক্রি করেন। জাত বুঝে দাম নির্ধারণ করা হয়। গোখরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, দাঁড়াশ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, অজগর এক হাজার থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। লাউডগা, কেউটে, কালনাগিনী, কাটা দুবল ও শঙ্খিনী ১০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। মাঝেমধ্যে দাম বেশ ওঠানামা করে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাক্সভর্তি সাপ নিয়ে বিক্রেতারা রাস্তার দুইপাশে পসরা সাজিয়ে বসেন। হাটের বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতাই বেদে। তবে সাভারসহ দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় কর্মরত কোরিয়ানরাও এ হাট থেকে সাপ কিনে নিয়ে যায়। সাভারের বেদেপাড়ার সাপুড়ে টুকু মিয়া, হানজাল মিয়া, ইব্রাহিম, শহর আলীসহ অনেকেই এখানে নিয়মিত সাপ বেচা-কেনা করেন। তারা জানান, এ হাটের পরিচিতি থাকায় দেশের নানা প্রান্তের সাপুড়ে এখানে এসে সাপ বিক্রি করেন। আবার পছন্দমতো সাপ পেলে তারা কিনেও নেন। বেদেপাড়ার সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি সাইজেদ আলী (৯৫) দীর্ঘশ্বাস ফেলে বেদেদের অতীত জীবন সম্পর্কে বলেন, ইউসুফ সর্দার, সাত্তার সর্দার, নায়েব আলী সর্দার, হানিফ সর্দার নৌকা হারিয়ে এখন রাজমিস্ত্রির জোগালি অথবা মাটি কাটার কাজ করেন। অবহেলিত বেদেদের উন্নয়নে কেউ এগিয়ে আসেনি। তারপরও বেদেপাড়া থেকে এখন প্রতিদিন দুইশতাধিক নারী সাপের খেলা দেখাতে অথবা সিঙ্গা লাগাতে রাজধানী ও আশপাশের গ্রামগুলোতে ছুটে যান।

বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১৭ লাখ বেদে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। তবে এ সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। নতুন পেশার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর মতো আর্থিক সঙ্গতি নেই। এদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেই বললেই চলে।
এগ্রোবাংলা ডটকম